আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি রয়েছে এমন আট নেতা নেত্রীকে শো-কজ করল তৃণমূল। ওই আট জনই জলপাইগুড়ি জেলার।

এদের মধ্যে ছয়জন কাউন্সিলর রয়েছেন। আরেকজ৷ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বাকি একজন কোন পদে নেই।
এদের বড় অংশ ধূপগুড়ির বলে তৃণমূলের এক জেলা নেতা জানান।

জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের সভাপতি কৃষ্ণ কুমার কল্যাণী অবিশ্য শো-কজের বিষয়টি অস্বীকার না করলেও এ নিয়ে মুখ খোলেন নি। তাঁর কথায়, “এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়।তা নিয়ে মুখ খুলব না। তবে বতবস্থা নেওয়া হলে সবাই জানতে পারবেন। ”

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, দল ক্ষমতায় আসার পর দিন যাচ্ছে আর ওই নেতাদের সম্পত্তির পরিমান তরতর করে বাড়ছে। দল ও পদকে সামনে রেখে কাটমানি সহ বে-নামে ঠিকাদারির কাজ করে ক্ষমতার অপব্যবহার তাঁরা করেছেন বলে ক্যেক মাস ধরে পিকে-র টিমের কাছে খবর আসছিল। এই সমস্ত নেতাদের সম্পত্তির পরিমান যে ভাবে বাড়ছিল তাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হচ্ছে।

ওই নেতাদের জন্য তৃণমূলের ভাবমূর্তি এলাকায় নষ্ট হচ্ছিল বলে নেতাদের অভিযোগ।
এতোদিন দল তাঁদের বিরুদ্ধে কেন কোন ব্যবস্থা নেয় নি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
ধূপগুড়ির এক প্রবীন তৃণমূল নেতার কথায়, “ওদের দেখে দল ক্ষমতায় আসেনি। যে সাধারণ মানুষকে পাশে নিয়ে বিহু আন্দোলন করে দল ক্ষমতায় আসে সেই সব পুরনো নেতারা আজ বঞ্চিত। এই সমস্ত নেতারা আজ দলের শেষ কথা বলছেন। অনেকেই এদের জন্য সরে গিয়েছেন। ওপর তলার নেতাদের একটি অংশের প্রশ্রয় পেয়েছেন এরাই।”

ওই সূত্রটি জানিয়েছে, কাটমানি সহ অন্যের নামে কোটি কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজের বরাদ পেয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক আজ তাঁরা। আটচল্লিশ ঘন্টার মধ্যে তাঁদের কাছে জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে।

দলের এক নেতার কথায়, ওই সমস্ত নেতা দলে থাকলে অমঙ্গল হবে। এদের দল থেকে সরালে বরঞ্চ দল চাঙা হবে। কেননা, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এদের নিয়ে ভোট করবে। “

সবার আগে খবর পেতে , পেইজে লাইক দিন