সংবাদদাতা,মালবাজার,৯ এপ্রিল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া সততার প্রতিক নেই বরং সত্যকে স্বীকার করেছেন। দশ বছর বাদে স্বীকার করেছেন বলেছেন নন্দীগ্রামে পুলিশ গুলি চালায় নি, চালিয়েছে অধিকারি পরিবারের আশ্রিত চটি পড়া লোকজন। পাশাপাশি একদা তার অন্যতম সৈনিক শুভেন্দু অধিকারী বললেন, গুলি চালিয়ে ছিল ছত্রধর মাহাতোর লোকজন। আজ সত্য প্রকাশ পাচ্ছে। সেদিন বামপন্থীদের উৎখাত করতে ষড়যন্ত্র হয়েছিল। আজ ওরাই সেটা প্রমাণ করেছে”।এইরকম ভাবেই ১৪ আগের নন্দীগ্রামের সেদিনের ঘটনার কথা তুলে তৃনমুল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা সিপিএমের নেতা সুশান্ত ঘোষ। শুক্রবার সন্ধ্যায় মালবাজার শহরের ঘড়ি মোরে সংযুক্ত জোটের সিপিএমের প্রার্থী মনু উরাওয়ের সমর্থনে ভোটের প্রচারে এসেছিলেন তিনি।

তিনি এক নাগারে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠেন। তিনি বলেন, বামফ্রন্টের ৩৪ বছরে বিজেপি পা ফেলতে পারেনি। তৃনমুল পা ফেলার জায়গা করে দিয়েছে। আজ বিজেপি রাজ্য দখলের স্বপ্ন দেখছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন বছরে ১০ লক্ষ বেকারের চাকুরি হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন বছরে ২ কোটি বেকারের চাকরি হবে। রাজ্যে দশ বছরে কেন্দ্রে ৬ বছরে ক্ষমতায় থেকেও সেটা পুরুন হয়নি। উল্টো বহু মানুষের চাকুরী গেছে। প্রধানমন্ত্রী একদা চা বিক্রি করতেন এখন দেশের রাস্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রি করে দিচ্ছেন। আজ যারা তৃনমুল কাল তারা বিজেপি। এই চলছে। এদের বিশ্বাস করে ভোট দিলে বাংলার সর্বনাশ হবে”। এই রকম ভাবে তৃনমুল ও বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে জোট প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান করেন।

এদিন সন্ধ্যায় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ভাষন রাজীব দেসরকার, সিপিএমের জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক সলীল আচার্য্য, প্রার্থী মনু উরাও প্রমুখ।
সুশান্ত বাবু তার ঘন্টা খানেক ভাষন দেওয়ার সময় একদিকে যেমন তার উপরে যে অত্যাচার হয়েছে তার বর্ননা দেন পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যের সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেন।

সবার আগে খবর পেতে , পেইজে লাইক দিন