জলপাইগুড়ির মোহিতনগরে শুরু হয়েছে ঐতিহাসিক লোটাদেবীর পুজো। প্রতি বছর মাঘী পূর্ণিমার পূণ্য তিথিতে শুরু হয় এই পুজো। পুজো উপলক্ষে বিশাল মেলার আয়োজন করা হয়েছে মন্দির প্রাঙ্গনে।

এবারও মাঘী পূর্ণিমা উপলক্ষে লোটাদেবী কালীপুজোকে ঘিরে জমজমাট চেহারা নিয়েছে জলপাইগুড়ির মোহিতনগর সংলগ্ন করলাভ্যালি এলাকা। এবার ৬৪ তম মেলা হচ্ছে লোটাদেবী মন্দির প্রাঙ্গনে। অত‍্যন্ত নিয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে মায়ের পুজো শুরু হয়েছে বলে জানান পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ বরুন চৌধুরী। পুজোয় মায়ের পুজোয় বিশেষ ভোগের ব‍্যবস্থা রয়েছে।কমিটির কোষাধ্যক্ষ জানান, লোটাদেবী নামের সঙ্গে জলপাইগুড়ির ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।জলপাইগুড়ির করলা নদীর ওপারে করলাভ্যালি চা-‌বাগান সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে লোটাদেবীর মন্দির। এই পুজোকে কেন্দ্র করে পাঁচদিন ধরে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সমাগম হয়। লোটাদেবীর মন্দিরের সামনেই রয়েছে একটি ছোট্ট পুকুর। শতবর্ষ প্রাচীন এই পুকুরকে ঘিরেই রয়েছে লোটাদেবী মন্দিরের নানা রহস্য। যা ভক্তদের আরও বেশি করে কাছে টানে এখানে। মন্দিরের আসা ভক্ত ও স্থানীয় মানুষদের বিশ্বাস লোটাদেবী মায়ের কাছে কেউ কিছু মানত করে কখনও খালি হাতে ফিরে যায়নি। স্থানীয় জনমানসে লোটাদেবীকে নিয়ে এখনও নানা গল্পকথা প্রচলিত রয়েছে। গ্রামের মানুষেরা বলেন, মায়ের মন্দিরের কাছে থাকা ওই পুকুরের সামনে দাঁড়িয়ে রাতে কিছু চেয়ে গেলে পরেরদিন সকালেই তা পুকুরের জলে ভেসে ওঠে। একই সঙ্গে ভেসে ওঠে একটি করে লোটা। এমন ঘটনা অনেকবারই ঘটেছে। থেকে এই মন্দিরের নাম হয়েছে লোটাদেবী মন্দির। এদিন রাতে জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপি সভাপতি বাপি গোস্বামীকে এখানে পুজো দিতে দেখা,গেছে।

সবার আগে খবর পেতে , পেইজে লাইক দিন