বাজার এবং টোটো নিয়ন্ত্রণে কার্যত নাজেহাল হয়ে পড়ছে কোচবিহার জেলা প্রশাসন। অর্ধ দিনের লকডাউন ছাড় থাকলেও সাধারণ ব্যবসায়ীরা কিন্তু কথা শুনছেন না। বারবার নির্দেশিকায় বলা রয়েছে অত্যাবশ্যক পণ্য সামগ্রী ছাড়া অন্যান্য সমস্ত দোকান বন্ধ থাকবে।

এই নির্দেশিকা কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে জামা কাপড়ের দোকান থেকে শুরু করে হার্ডওয়ার পান-বিড়ির দোকান এমনকি জুয়েলারি দোকান পর্যন্ত খোলা রয়েছে কোচবিহারে।

প্রতিনিয়ত ও প্রশাসনের মাধ্যমে গিয়ে তাদেরকে বলার পরে তারা দোকান বন্ধ করছেন।যেদিন প্রশাসন পৌঁছতে পারছে না সেই দিন দোকান বন্ধ হচ্ছে না। এভাবেই চলছে কোচবিহারের লকডাউন। নিরলস প্রশাসনের প্রচেষ্টা অব্যাহত। শনিবার সকালেও দেখা গেল একই ছবি।কোচবিহার নতুন বাজার এবং ভবানীগঞ্জ বাজারের একাধিক দোকান বন্ধ করালেন ম্যাজিস্ট্রেট সুপর্ণা বিশ্বাস। শুধু তাই নয় মাস্ককে বিহীন পথচারীদের কান ধরে সর্বসমক্ষে শাস্তিও দিলেন তিনি। বোঝালেন মাস্ক এর গুরুত্ব। এরপরেও উদাসিনী জনগণ নিজেদের বিপদ নিজেই ডেকে আনছেন।

বলাবাহুল্য কোচবিহার সদর মহকুমা শেষ পাওয়া তথ্য অনুসারে অ্যাকটিভ কেস সংখ্যা 46। ক্রমশ বেড়েই চলেছে সংক্রমনের মাত্রা তারপরেও এই উদাসীনতা কোচবিহার কে ঠিক কোন জায়গায় এনে দাঁড় করাবে আগামী দিনে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসনের।

বাজার এবং টোটো নিয়ন্ত্রণে কার্যত নাজেহাল হয়ে পড়ছে কোচবিহার জেলা প্রশাসন। অর্ধ দিনের লকডাউন ছাড় থাকলেও সাধারণ ব্যবসায়ীরা কিন্তু কথা শুনছেন না। বারবার নির্দেশিকায় বলা রয়েছে অত্যাবশ্যক পণ্য সামগ্রী ছাড়া অন্যান্য সমস্ত দোকান বন্ধ থাকবে।এই নির্দেশিকা কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে জামা কাপড়ের দোকান থেকে শুরু করে হার্ডওয়ার পান-বিড়ির দোকান এমনকি জুয়েলারি দোকান পর্যন্ত খোলা রয়েছে কোচবিহারে।প্রতিনিয়ত ও প্রশাসনের মাধ্যমে গিয়ে তাদেরকে বলার পরে তারা দোকান বন্ধ করছেন।যেদিন প্রশাসন পৌঁছতে পারছে না সেই দিন দোকান বন্ধ হচ্ছে না।
এভাবেই চলছে কোচবিহারের লকডাউন। নিরলস প্রশাসনের প্রচেষ্টা অব্যাহত। শনিবার সকালেও দেখা গেল একই ছবি।কোচবিহার নতুন বাজার এবং ভবানীগঞ্জ বাজারের একাধিক দোকান বন্ধ করালেন ম্যাজিস্ট্রেট সুপর্ণা বিশ্বাস। শুধু তাই নয় মাস্ককে বিহীন পথচারীদের কান ধরে সর্বসমক্ষে শাস্তিও দিলেন তিনি। বোঝালেন মাস্ক এর গুরুত্ব।

এরপরেও উদাসিনী জনগণ নিজেদের বিপদ নিজেই ডেকে আনছেন। বলাবাহুল্য কোচবিহার সদর মহকুমা শেষ পাওয়া তথ্য অনুসারে অ্যাকটিভ কেস সংখ্যা 46। ক্রমশ বেড়েই চলেছে সংক্রমনের মাত্রা তারপরেও এই উদাসীনতা কোচবিহার কে ঠিক কোন জায়গায় এনে দাঁড় করাবে আগামী দিনে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসনের।

সবার আগে খবর পেতে , পেইজে লাইক দিন