ফের সেই ধর্মঘটের রাজনীতি! হেমতাবাদে বিজেপি বিধায়কের রহস্যজনক অবস্থায় ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গ ধর্মঘটের ডাক দেয় বিজেপি।

ধর্মঘটের জেরে স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা উত্তরবঙ্গ। তবে করোনা আবহে একেতে ব্যবসা লাটে উঠতে বসেছে! তার ওপর আচমকা ধর্মঘট ঘোষণা করায় মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসা থেকে দিনমজুর সকলের। আর তা নিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের একটি অংশ।

তাঁদের অভিযোগ, ওই ঘটনা নিয়ে বিজেপি লাগাতার আন্দোলনে নামতে পারত। তবে আচমকা এই ধর্মঘট ডাকার ফলে সরকারের তুলনায় সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হল। প্রতিবাদ বা দাবদাবি আদায়ের জন্য নানান ভাবে আন্দোলন করা যায়। ধর্মঘট ডেকে লাভ কী!

আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের দুই ব্যবসায়ীর কথায়, “করোনার জন্য গত মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ব্যবসা লাটে উঠেছে। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা কারো জানা নেই। কর্মচারীদের বেতন মেটাতে কালঘাম ছুটছে। সেই অবস্থায় ধর্মঘট মানা যায় না। এতো বাম আমলের ধর্মঘট গুলির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।“

বাম আমলে কেন্দ্রের “জন বিরোধী” নীতির নাম করে বছরে চার দফা ধর্মঘট বাঁধাধরা ছিল। তা ছাড়া আরও কয়েক দফা মিলিয়ে বছরে ১০ টি ধর্মঘট বাঁধাধরা ছিল। ধর্মঘটের বাংলায় কারখানা গড়ে তুলতে আসতে চাইতেন না শিল্পপতিরা!

সবার আগে খবর পেতে , পেইজে লাইক দিন