দ্যউইন্ড ওয়েবডেস্কঃ মুকুল রায়ের সঙ্গে দিলীপ ঘোষের দূরত্ব সুবিদিত। এরসঙ্গে যুক্ত হয়েছে বঙ্গ বিজেপির সীমাহীন গোষ্ঠী কোন্দল। রাজ্য সভাপতি হিসেবে তাতেও লাগাম টানতে কার্যত ব্যর্থ তিনি। দিলীপ ঘনিষ্ঠ নেতাকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দিলীপ ঘোষকে মোক্ষম বার্তা দিলেন বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে কড়া বার্তা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের? সাংগঠনিক ক্ষেত্রে বড়সড় রদবদল হওয়ার পর এমনটাই জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিকমহলে।

২০২১ সালে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে কোনও রিস্ক নিতে চাইছে না কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আর সেই কারণে দিলীপের হুঁশিয়ারি গুরুত্বকে আমল দিল না দিল্লি। সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। জরুরি ভিত্তিতে দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে অমিতাভ চক্রবর্তীকে। তিনি এতদিন ছিলেন সহ-সাধারণ সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)হিসাবে।

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা বুধবার অমিতাভ চক্রবর্তীকে সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে নিয়ে এলেন৷ এতদিন তিনি সহ-সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) এর পদ সামলে ছিলেন৷ তার আগে অমিতাভবাবু বাংলায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পরে তাঁকে ওড়িশায় দলের সংগঠনের দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছিল বিজেপি৷ বিজেপি সূত্রে খবর, ২৮ অক্টোবর বুধবার ভারতীয় জনতা পার্টি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, এখন থেকে সহ-সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদ সামলাবেন৷

এর ফলে সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) এর পদ থেকে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরে যেতে হবে৷ সূত্রের খবর, সুব্রত চট্টোপাধ্যায় হল রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের অনুগামী বলে পরিচিত৷ এমনকি সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ব্যাপারে দিলীপবাবু আপত্তিও করে ছিলেন৷ তার সেই আপত্তিকে আমল দিল না বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব৷

অভিযোগ,সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ যাচ্ছিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে৷ তার অপসারণ নিয়ে অনেক দিন থেকেই চলছিল জল্পনা৷ এছাড়া বঙ্গ বিজেপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায় এলপিজি কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে দলেরই এক প্রাক্তন নেতা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন৷

সবার আগে খবর পেতে , পেইজে লাইক দিন